যুবতীর ন্যায্য বিচারের দাবিতে পরিবারের অবস্থান-বিক্ষোভ কুলটি থানায়

Subscribe Us

যুবতীর ন্যায্য বিচারের দাবিতে পরিবারের অবস্থান-বিক্ষোভ কুলটি থানায়


নিলেশ দাস,আসানসোল:-
বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এবং তারপরে যুবতী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেও অভিযুক্ত যুবক বিয়ে করতে অস্বীকার করায় কুলটি থানা ঘেরাও করে ধরনা অবস্থানে বসলেন যুবতী এবং তার পরিবার।পরিবারের অভিযোগ, পুলিশকে জানানোর পরেও কুলটি থানার পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। 
প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে কুলটি থানার অন্তর্গত লছমনপুরে নির্মল বাদ্যকরের প্রতিবন্ধী মেয়ে কে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামের এক যুবক গোবিন্দ বাউড়ী তার সাথে সহবাস করায় মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বাড়ীর লোকেরা বিষয়টি জানার পর গোবিন্দের বাড়ীতে গিয়ে তাদের মেয়ের সঙ্গে গোবিন্দের বিয়ের কথা বলাতে, গোবিন্দের বাড়ির সদস্যরা প্রতিবন্ধী মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে অস্বীকার করে। সেইসময় চৌরঙ্গী ফাঁড়িতে গত ১৫ই এপ্রিল গোবিন্দর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়র করে মেয়েটির পরিবার।পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা শুরু করে । মামলা শুরু করার পরও পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ মেয়েটির পরিবারের।
ইতিমধ্যে জুলাই মাসে মেয়েটি এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।মেয়ের বাবার অভিযোগ,তার মেয়ের বাচ্চা হওয়ার পর গোবিন্দ বাউড়ী ও তার দুই ভাই কৃষ্ণ বাউড়ী ও কানাই বাউড়ী এবং মামা নিমাই বাউড়ী বাচ্চাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত শুরু করে ও বাড়ীতে ঢিল ছুঁড়তে থাকে।এই ঘটনা স্থানীয় চৌরঙ্গী ফাঁড়িতে আগষ্ট মাসে মৌখিকভাবে জানানো সত্বেও পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি।   



এরই প্রতিবাদে আজ অর্থাৎ শনিবার কুলটি থানা ঘেরাও করে ধরনা অবস্থানে বসেন যুবতী এবং তার পরিবার।যুবতী ও তার পরিবারের এই আন্দোলনকে সমর্থন করে এগিয়ে আসে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যুব তৃনমূলের রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সরকার আমাদের চললেও পুলিশ এক্ষেত্রে ব্যর্থ এটা স্বীকার করাই যায়। আর সেই কারণেই আমরা যুবতীর ন্যায্য বিচারের আশায় ধরনায় বসে ছিলাম। পুলিশ আমাদের আশ্বাস দিয়েছে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। ব্যবস্থা না নিলে আমরা আবারও আন্দোলনের নামব।

Post a comment

0 Comments