ছাগল নিয়ে পাগল, মালিকের খোঁজে পুলিশ

Subscribe Us

ছাগল নিয়ে পাগল, মালিকের খোঁজে পুলিশ



ভাতার:- "ছাগল না পাগল" হামেশাই এই কথা শোনা যায় পথে ঘাটে।কারণ গায়ে গঞ্জে বর্ষার সময় ছাগল নিয়ে নানান সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে খাবারের সমস্যা বড় প্রকট হয়।ঠিক মত খাবার মেলে না। বর্ষার জলে ছাগল মাঠে চড়তে চায় না। কিন্তু তা বলে পুলিশ ছাগল নিয়ে পাগল। ভাবা যায়!



পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ এখন ছাগলের পাল্লায় পড়ে রীতিমত চাপে। মাথার চুল ছিঁড়ছে। দিন পাঁচেক আগে ভাতারের বলগোনা বাজারে চারটি ছাগলকে রাতে পাকড়াও করে টহলরত পুলিশ।ছাগলগুলি রাতে বলগোনা বাজারে ঘোরাঘুরি করছিল।পুলিশ মালিকের খোঁজ না পেয়ে ওই চারটি ছাগলকে নিয়ে যায় সটান ভাতার থানায়।আর এতেই যত ঝামেলা আর গণ্ডগোল।মাস কয়েক ধরে  ভাতারের বিভিন্ন জায়গায় ছাগল চুরি হচ্ছে, সেই ছাগল চুরির  খবর ভাতার থানার পুলিশের কাছে যায়। সেই জন্যই ওই ছাগল চারটিকে নিয়ে যাওয়া হয় ভাতার থানায়।কিন্তু এখন এই দু’জোড়া  ছাগলকে নিয়ে ঘুম ছুটেছে পুলিশের। 



চরম বিপাকে  পড়েছে ভাতার থানার পুলিশ কারণ মালিকের কোন খোঁজ মিলছে না।তাই ছাগল চারটিকে পালন করতে পুলিশকেই ঘাস, গাছের ডালপালা, জল দিতে হচ্ছে। আবার এরই মধ্যে একটি  ছাগল আবার দুটি বাচ্চার জন্ম দিয়েছে।বোঝো ঠ্যালা।একে রামে রক্ষে নাই। আবার দোসর সুগ্রীব। তাই সমস্যা আরো বেড়েছে থানার।এখন থানার পুলিশ ওই ছাগল চারটির মালিক কে? হন্যে হয়ে তার খোঁজখবর শুরু করেছে পুলিশ।থানার সিভিক ভলান্টিয়াররা ওই ছাগল চারটির লালনপালন করছে।যত্নআত্তির কোন খামতি নাই। স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে তাঁরা  দেখাশোনার কাজ করছেন।



স্থানীয় বাসিন্দা শেখ মনিরুল জানান, বলগোনা বাজার থেকে চারটি ছাগল উদ্ধার করে পুলিশ নিয়ে ভাতার থানায় নিয়ে যায়।কারণ পুলিশ ভেবেছিলে যে হয়তো মালিক থানায় গিয়ে ওই ছাগল নিয়ে যাবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মালিকের খোঁজ মিলেনি। কেউ ছাগলের দাবীও করে নি।তাই দারুণ সমস্যায় রয়েছেন ভাতার থানার পুলিশ ।সঠিক তথ্য ও প্রমাণ নিয়ে হাজির হলেই পুলিশ মালিকের হাতে ছাগল দিয়ে দেবে। কিন্তু মালিকেরই তো দ্যাখা নাই। তাই চতুষ্পদ এই অবুঝ চারটি প্রাণী নিয়ে ভাতার থানার পুলিশ এখন নাকানি চুবানি খাচ্ছে।

Post a comment

0 Comments