রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষীপুজো

Subscribe Us

রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষীপুজো



রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষীপুজো।হেমন্তের রাতে কোজাগরী চাঁদের উজ্জ্বল আলোকে সাক্ষী রেখে বাংলার ঘরে ঘরে পুজো হয়ে থাকে। এবারে পুজো পড়েছে দুদিন।লগ্নের খেয়ালে শুক্র আর শনিবার।তবে বেশিরভাগ পুজোই হবে শুক্রবার।লক্ষীপুজো দুভাবে হয়।মাটির মূর্তি বা পট কিম্বা সরায়।যার যেমন আর্ষ তেমন করাই প্রথা।পূর্ববঙ্গের মানুষের নিবিড় বসতি যেখানে যেমন বর্ধমানের নীলপুর, ইছলাবাদ, নাড়ীকলোনী , কাঞ্চননগরে এই পুজোর ব্যাপক প্রচলন।দেশভাগের ফলে ভিটেমাটি হারিয়ে এপারে এসে নতুন করে জীবনযুদ্ধ লড়তে হয়েছিল ওদের।তাই লক্ষীর আরাধনা তাদের ঘরে ঘরে। ইতিহাসবিদ সর্বজিৎ যশ জানাচ্ছেন, ' বর্তমানে এই পুজো এখানকার আদি বাসিন্দারাও অনেকেই করছেন।পূর্ববঙ্গে এর ব্যাপক প্রচলন ছিল।এমনকি কালীপুজোর রাতেও অনেক পুজো করেন।'
অন্যদিকে এবারে স্বস্তি নেই নীলপুরের পালপাড়ায়।প্রতিটা জিনিসের দাম বেড়েছে।প্রতিমার দাম কমেছ।কুম্ভকার সমীর পাল বলেন , 'মাটি ,সুতো,রঙ, সাজানোর উপকরণ থেকে সবকিছুর দাম বেড়েছে।অন্যদিকে যারা কিনবেন তাদের দেবার সামর্থ্য কমেছে।তাই কমদামেই বিক্রি হচ্ছে প্রতিমা।লকডাউনে কুম্ভকারদের দিকে কেউ তাকায়নি।এই মরশুমে কিছু লাভের আশাও দুরস্ত। তাই তাদের অন্তত লক্ষীলাভ হচ্ছে  না এ মরশুমে।

Post a comment

0 Comments