বেসরকারি হাসপাতালের গাফিলতির জেরে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে , অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর

Subscribe Us

বেসরকারি হাসপাতালের গাফিলতির জেরে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে , অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর


 

বেসরকারি হাসপাতালের গাফিলতির জেরে এক মধ্যবয়সী রোগীর মৃত্যুর জেরে অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর।টেকনিশিয়ান আটক।কার্যত অক্সিজেনের অভাবে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত রোগীর নাম স্বপন দাস।পূর্ব বর্ধমানের  সাতগেছিয়ায় বাড়ি। তার ৪৫ বছর বয়স। গত ১ লা অক্টোবর শ্বাসকষ্ট সহ অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তাকে তার পরিজনেরা এন এইচ ২ এর উপর একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। করোনা সংক্রমণের সময়ে অন্য রোগীরা নানা সমস্যায় পড়ছেন। এই রোগীর চিকিৎসা চলতে থাকে। কিন্তু ওই হাসপাতালের ক্রমাগত বেড়ে চলা ব্যায়ভার ছাড়াও ডাক্তার তাকে অন্যত্র আরো ভাল চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন।এই অবস্থায় অন্য একটি নার্সিংহোমে তাকে স্থানান্তরিত করার উদ্যোগ নেন পরিজনেরা। 


সেইমতো বামচাঁদাইপুরের অন্য একটি হাসপাতাল থেকে একটি ভেণ্টিলেটর-যুক্ত অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়। অভিযোগ রোগীকে ওঠাবার আগে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যাটারি খারাপ হয়ে যায়। সারিয়ে এনে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে রোগীকে চাপিয়ে রওয়ানা দেওয়া হয়।কিন্তু মাত্র কয়েক কিলোমিটার দুরে গিয়ে বিকল হয়ে যায় অ্যাম্বুলেন্স। এমনকি ভেন্টিলেটর কাজ করা বন্ধ করে দেয় বলেও অভিযোগ। জনবহুল এলাকায় ভিড় জমে যায়। ইতিমধ্যে রোগী মারা যান।অভিযোগ ওঠে, অক্সিজেনের অভাবেই মারা গেছেন তিনি। উত্তেজিত কিছু মানুষ অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করে।পুলিশ এসে টেকনিশিয়ানকে আটক করা হয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়ে রোগীর আত্মীয় বলেন , সুচিকিৎসার জন্য সামান্য রাস্তায় কুড়ি হাজার টাকা ভাড়ায় রাজি হই।তারপরও এই ঘটনা। সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? অন্যদিকে টেকনিশিয়ান জানায় অ্যাম্বুলেন্স খারাপ হলেও ভেন্টিলেটর চালুই ছিল।তা বন্ধ হয়নি। এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো কোভিড ছাড়া সাধারণ ঘরের অন্য রোগীরা কখনো কখনো কতটা অসহায়।

Post a Comment

0 Comments

close