রেলের চাকরি প্রতারণা কান্ডে গ্রেফতার আরও ২ জন

Subscribe Us

রেলের চাকরি প্রতারণা কান্ডে গ্রেফতার আরও ২ জন



রেলের চাকরি প্রতারণা কান্ডে আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব বর্ধমানের  আউশগ্রাম থানার পুলিস। ধৃতদের নাম দিবাকর রায় ও রাজেশ প্রামাণিক। উত্তর ২৪ পরগণার নিউ বরাকপুরের পশ্চিম মাসুণ্ডায় দিবাকরের বাড়ি। অপরজনের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণারই বীজপুর থানার নৃপেণ সরকার রোডে। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে পুলিস তাদের গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। হাতিয়ে নেওয়া টাকা উদ্ধারের জন্য এবং চক্রের বাকিদের ধরতে দিবাকর ও রাজেশকে ১০ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস। ধৃতদের ৫ দিন পুলিসি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম মণিকা চট্টোপাধ্যায় (সাহা)।


রেলে গ্রুপ ডি পদে চাকরি দেওয়ার নামে আউশগ্রাম থানার গুসকরা স্কুল মোড়ের সব্যসাচী মণ্ডলের কাছ থেকে কয়েক দফায় ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। তাঁকে শিয়ালদহে ডিআরএম অফিসে নিয়ে গিয়ে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। পরে তাঁকে রেলের সিলছাপ দেওয়া নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। ফেয়ারলি প্লেসে রেলের দপ্তরে গিয়ে নিয়োগপত্রটি জাল বলে জানতে পারেন তিনি। এরপরই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে জাল নথিপত্র তৈরি করে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিস। তদন্তে নেমে পুলিস পূর্ণিমা দে, তার স্বামী গোবিন্দ দে, ভৈরব বন্দ্যোপাধ্যায়, রতন রায় ও মতিলাল কোনারকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। পূর্ণিমা ও ভৈরবকে ৪ দিন পুলিসি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। বাকিদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। পুলিসি হেফাজতে থাকা দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দিবাকর ও রাজেশের রেলের ভুয়ো নিয়োগপত্র বিলি চক্রে জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে পারে পুলিস। দিবাকরের অ্যাকাউন্টে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ভৈরব পাঠিয়েছে বলে জানতে পেরেছে পুলিস।
দিবাকর চক্রটির অন্যতম পাণ্ডা বলে জেনেছে পুলিস। চাকরি দেওয়ার নাম করে হাতিয়ে নেওয়া টাকার বড় অংশ তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নথি সংগ্রহ করেছে পুলিস। ধৃতদের দু’টি মোবাইলও পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত বলে ধৃতরা পুলিসকে জানিয়েছে।

Post a Comment

0 Comments

close