খরিফ মরশুমে ধান কাটা শুর হতেই, মাঠে নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়ল প্রশাসন

Subscribe Us

খরিফ মরশুমে ধান কাটা শুর হতেই, মাঠে নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়ল প্রশাসন





মাঠে নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে রীতিমত মাঠে নেমে দেখানো হল নাড়া বা জমিতে পড়ে থাকা খড় পুড়িয়ে দিলে জমির কি ক্ষতি হয়।বরং না পুড়িয়ে সেই নাড়া বা খড় জমিতে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করলে জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ে।ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।রোগ পোকার আক্রমণ থেকে ফসল ও গাছ বাঁচে। গত কয়েক বছরে গোটা রাজ্যের মতই শস্যগোলা পূর্ব বর্ধমানেও হারভেস্টারের ব্যবহার বেড়েছে। খরিফ ও বোরো মরশুমে হারভেস্টার দিয়েই চাষীরা ধান কাটছেন।। তুলনা মূলক কম খরচে অল্প সময়ে চাষী ধান মাঠ থেকে কেটে ঘরে তুলতে পারছেন। একদিকে সময় বাঁচছে, তেমনি খরচও কম হচ্ছে। হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটলে জমিতে নাড়া থাকে বেশ লম্বা বা বড় হয়ে।পাশাপাশি কাটা খড়ও জমিতে পড়ে থাকে।ধান কাটার পর কৃষকরা নাড়া ও খড় পুড়িয়ে দেয়।এতে যেমন বায়ু দূষণ বাড়ছে।তেমনি জমির ক্ষতি করছে।জমির উর্বরতা শক্তি কমে যাচ্ছে। মাঠে থাকা বন্ধু জীবাণু  মরে যাচ্ছে। তাই এদিন গলসি ১ নম্বর ব্লকের পক্ষ থেকে এলাকায় নাড়া বা খড় পোড়ানোর পরিবর্তে মালচার মেশিন দিয়ে কিভাবে নাড়া বা খড় নষ্ট করা যায় বা জমির মাটিতে মেশানো যায় তার ডেমো দেখানো হয়।ব্লকের সহ কৃষি আধিকারিক অরিন্দম দানা বলেন এই মালচার মেশিন ব্যবহারে খরচ খুব একটা বেশি পড়বে না।বরং কম খরচেই কৃষকরা উপকৃত হবেন। তারই নমুনা এদিন দেখানো হল কৃষকদের। নাড়া পোড়ানো হলে যেমন বাতাসে দূষণের মাত্রা বাড়ছে।তেমনি জমির উর্বরতা শক্তি কমে যাচ্ছে। পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ প্রশান্ত লাহা বলেন চাষীরা ভুল করে মাঠে নাড়া ও খড় পুড়িয়ে দিচ্ছে। এতে জমির ক্ষতি হচ্ছে। তাই কৃষকদের মাঠে নেমে মালচার মেশিন দিয়ে কিভাবে কম খরচে নাড়া জমিতে মেশানো যায় তা দেখানো হল।লাগাতার খড় ও নাড়া  পোড়ানোর জন্য পাঞ্জাব ও দিল্লিতে মারাত্মক হারে বায়ু দূষণ বাড়ছে। তাই রাজ্য সরকার চাইছে নাড়া পোড়ানো বন্ধ করতে। এই বিষয়ে কৃষকরাও আগ্রহী। স্থানীয় কৃষক বাপ্পাদিত্য রায় বলেন এই ভাবে খড় বা নাড়া নষ্ট করা হলে আমরা উপকৃত হব।জমির উর্বরতা বাড়াবে। ফসলের উৎপাদন বেশি হবে।

Post a comment

0 Comments