করোনা পজিটিভ রোগীর মৃত দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেবার অভিযোগ নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে

Subscribe Us

করোনা পজিটিভ রোগীর মৃত দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেবার অভিযোগ নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে



পূর্ব বর্ধমান:- রোগী মারা গেছেন।তার শ্বাসকষ্ট ছিল। মারা যাবার পর তার দাহও হয়ে গেছে। দাহের পর পরিজনেরা এবং শ্মশানযাত্রীরা জানতে পারছেন রোগীনি করোনা পজিটিভ ছিলেন। এই নিয়ে চরম উদ্বেগ আর আশংকা ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের নীলপুরে।রোগীনির পুত্র গাফিলতি আর রিপোর্ট গোপনের অভিযোগ তুলে বর্ধমান থানায় অভিযোগ করেছেন। প্রশাসনিক সূত্র এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মৃতা বর্ধমান শহরের ছোটনীলপুরের বাসিন্দা।  তিনি ও তার পরিজনেরা মুম্বাইতে থাকেন কর্মসূত্রে। তার পুত্র সংবাদমাধ্যমে কাজ করেন সেখানেই। গত জানুয়ারিতে সরস্বতী পুজোর আগে তিনি বর্ধমানে আসেন।গত ২৫ শে অক্টোবর ভোরে শ্বাসকষ্ট হওয়ায় তাকে বর্ধমানের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। গত ১ নভেম্বর তার মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উচ্চরক্তচাপ ও তজ্জনিত কারণে হৃদরোগের কথা লেখা হয়। এরপর স্বাভাবিকভাবেই তার মরদেহ সাধারণ দেহের মতই দাহ করা হয়। প্রায় পঞ্চাশজন আত্মীয় ও পরিচিত অত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন।এরপর হঠাৎই তার পুত্র জানতে পারেন তার মা কোভিড পজিটিভ ছিলেন। একটি রিপোর্ট ও পান তারা। তার পুত্র বিদ্যুৎকুমার তা এর অভিযোগ,নার্সিহোম তাদের বিভ্রান্ত করেছে। কোভিড রিপোর্ট গোপন করেছে। এর ফলে তার না জেনেই মা কে অত লোক মিলে দাহ করেছেন। নার্সিংহোম এর গাফিলতির ফলে এতগুলো মানুষ সমস্যায় পড়লেন।তিনি এর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি আরো উচ্চতর জায়গায় অভিযোগ জানাতে তৈরি।তার দাবি ওই নার্সিংহোমের লাইসেন্স বাতিল করা হোক।
অন্যদিকে কোনো বেসরকারি নার্সিংহোম আদৌ কোভিড টেস্ট করাতে পারেন কী না তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। সরকারি একটি সূত্র জানাচ্ছে , উনি পজিটিভ ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কিন্তু রিপোর্ট হাতে এলেই এ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হবে। বর্ধমানে হু হু করে কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে পুজোর আগে থেকেই।গত ২৪ ঘন্টায় ৯৩ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন।শুধু বর্ধমান শহরেই আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ জন। সরকারি স্তরে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে প্রথম থেকেই। তবু সংখ্যায় রাশ টানা যাচ্ছেনা। তার মধ্যে এই ধরণের গাফিলতির অভিযোগ  উঠে এলো। 

Post a comment

0 Comments