মাঠ পরিদর্শনে এলেন কৃষি আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিজ্ঞানী

Subscribe Us

মাঠ পরিদর্শনে এলেন কৃষি আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিজ্ঞানী



সোমবার মাঠ পরিদর্শনে এলেন সরকারী কৃষি আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের সিনিয়র কৃষিবিজ্ঞানী। তাঁরা এদিন পূর্ব বর্ধমানের গলসি ১ নম্বর ব্লকের কৃষ্ণরামপুর ও ফতেপুর মৌজার জমির ধান সরজমিনে দেখলেন। সংগ্রহ করলেন জমি থেকে নমুনা মাটি ও ধান। চাষিদের সঙ্গে কথা বলে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন। পাশাপাশি তাঁরা  ধানের শিষ ল্যাবটারিতে পরীক্ষা করে দেখার কথা জানালেন চাষিদের। সেইজন্য ক্ষতিগ্রস্থ চাষিদের ধানের শিষ নিয়ে ব্লক কৃষি দপ্তরে জমা দিতে বললেন সরকারী আধিকারিকর।  উল্লেখ্য গলসি ১ নম্বর ব্লকের লোয়া কৃষ্ণরামপুর অঞ্চলের কৃষ্ণরামপুর ও ফতেপুর মৌজায় আনুমানিক চারশো বিঘে জমিতে মমতা স্বর্ণ প্রজাতির ধান লাগিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন এলাকার চাষিরা। চাষিদের দাবী ধান ফুলনোর পর ধানের শিষে চাল তৈরী হচ্ছেনা(ধান গাছে ফুল)। অর্থাৎ সেই ধানের ভিতরে চাল তৈরী হচ্ছে না। বিঘের পর বিঘে জমিতে একই অবস্থা। অধিক ফলনের আশায় কেউ পাঁচ বিঘে তো কেউ দশ বিঘে আবার কেউ বা পনেরো কুড়ি বিঘে জমিতে মমতা স্বর্ণ ধান চাষ করেছিলেন। কেউ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে, কেউ মহাজানের থেকে দাদন নিয়ে চাষ করেছেন খরিফ মরশুমে। মরশুমের শেষে ফলন দেখতে না পেয়ে হতাশ এলাকার চাষিরা। সময় মতো সার, চাপান, কীটনাশক দিয়ে পরিচর্যা করার পরও বা জমিতে ধানের ফলন একেবারে নাই। তাই এখন মাথায় হাত এলাকার কয়েকশো চাষীর। ধান ফোলানের পর চালের পরিবর্তে আগরা (ফাঁকা শিস) তৈরী হয়েছে। বেশির ভাগ  জমির ধানই বগা (চাল বিহীন সাদা শিস) পড়েছে।ঘটনার জেরে সর্বশান্ত হওয়ায় মাথায় হাত পরে চাষিদের। বিঘার পর বিঘা জমির এমন অবস্থা দেখে হতাশ চাষিরা।
খবর পেয়ে চাষিদের অভিযোগ শুনতে মাঠে হাজির হলেন কেন্দ্রীয় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সিনিয়র কৃষিবিজ্ঞানী আজিজুর রহমান, গলসি ১ নম্বর ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা অরিন্দম জানা ও ব্লক অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনোলজি ম্যানেজার উজ্জ্বল মণ্ডল। তাঁরা মাঠে নেমে জমি থেকে ধান ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করলেন। গলসি ১ নম্বর ব্লকের লোয়াকৃষ্ণরাম অঞ্চলের কৃষ্ণরামপুর ও ফতেপুর মৌজার চাষিরা জানেন না আগামীদিনে কিভাবে তাঁরা জীবন ধারণ করবেন।

Post a comment

0 Comments