রেলের চাকা গড়ালেও কপাল খোলেনি হকারদের

Subscribe Us

রেলের চাকা গড়ালেও কপাল খোলেনি হকারদের



রেলের চাকা গড়ালেও কপাল খোলেনি হকারদের। রেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্রেনে, প্লাটফর্মে বা স্টেশন চত্বরে হকারদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না।ফলে তাঁরা এখন চরম সংকটে। দীর্ঘ আটমাস তাদের হাতে কোন কাজ নাই। সরকারি রেশনই তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল।তাঁরা চান অবিলম্বে হকারদের ব্যবসা করতে দেওয়া হোক কোভিড বিধি মেনেই। গতকালই বর্ধমান হাওড়া মেইন ও কর্ড শাখায় লোকাল ট্রেন চালু হয়েছে। কিন্তু ট্রেনে কিংবা স্টেশনে হকারদের হাঁকডাক নেই। নেই তাদের চলন্ত ট্রেনে ওঠানামার সেই চেনা ছবি।নিউ নর্মালে ছন্দে ফিরছে রেল। চালু হচ্ছে বিভিন্ন রুটে লোকাল। কিন্তু হকারদের কপাল খুলছে না।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ইফতিকার আহম্মদ বলেন লোকাল ট্রেনে হকার উঠতে দেওয়া হোক।একে একে সবই স্বাভাবিক হচ্ছে। তাহলে হকাররা কি দোষ করলে।তাঁরাও কোভিড বিধি বা স্বাস্থ্য বিধি মেনেই ব্যবসা করবে।তাছাড়া স্টেশন চত্বরে হকারদের বসতে না দেওয়া হলে সাধারণ যাত্রীরাও তো সমস্যায় পড়ছে।তাঁরা জল বা খাবার পাচ্ছে না।
গতকালই স্টেশনের আরপিএফের কাছে হকারদের ব্যবসা চালু করার দাবীতে আন্দোলন করে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন। তারা ডেপুটেশনও দেয়।সন্তোষ কুমার মণ্ডল বলেন, লোকাল ট্রেন চালু হয়েছে। এবার তাদের ব্যবসা করতে দেওয়া হোক। না হলে তারা না খেয়ে মারা যাবেন।ছেলের টিউশনির টাকা দিতে পারছি না। ফলে তাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে। তারা কোন রকমে আধপেটা খেয়ে সংসার চালাচ্ছে। এখন যদি তাদের আটকানো হয় তাহলে তারা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হবেন। একই কথা বলেন মহম্মদ আইনুল।তিনিও ট্রেন হকারি করে দিন গুজরান করেন।কিন্তু কোভিডের জন্য আট মাস কাজ বন্ধ। সংসার চলছে না। বাড়িতে বাচ্চাদের ঠিক মত খাবার জুটছে না। তাহলে আমরা কোথায় যাবো।
শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ইফতিকার আহম্মদ বলেন, গত আট মাসে বহু হকার কাজ হারিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রেলের উচিত হকারদের জন্য ভাবা।

Post a Comment

0 Comments

close