'বিরাট অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও নিরহংকার, যেন আপনজনের সঙ্গে আলাপচারিতা' সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় লক্ষ্মীনারায়ণ মোদক

Subscribe Us

'বিরাট অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও নিরহংকার, যেন আপনজনের সঙ্গে আলাপচারিতা' সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় লক্ষ্মীনারায়ণ মোদক




তারও বয়স হয়েছে। কিন্তু তার মনে রয়েছে সৌমিত্রর অনুপম স্মৃতি।৪২ বছর আগে পাল্লা রোডের ইরিগেশন বাংলোয় অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে ছিলেন লক্ষ্মীনারায়ণ মোদক।এই বাংলোয় আট-নয়ের দশকে অনেক ছবির শ্যুটিং হয়েছে।তার অনেক আগেই ১৯৭৮ সালে নন্দিতা ছবির শ্যুটিং করতে পাল্লা রোডের বাংলোয় এসেছিলেন তখনকার বিখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। মোদক পরিবারের সঙ্গে তখন ঘনিষ্ঠ হন তিনি।পূর্ববর্ধমানের সদর ২ ব্লকের বড়শুলের বাসিন্দা এখন  লক্ষীনারায়ন মোদক।অবসর নিয়ছেন।কিন্তু স্মৃতি আজও প্রখর।তিনি জানান, ১৯৭৮ সালে তিনি পাল্লা ইরিগেশন বাংলোয় অ্যাসিসটেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন। 


তখন প্রতি বছরই শীতকালে বিভিন্ন সিনেমার শুটিং হত।নন্দিতা সিনেমার শুটিং করতে আসার সুবাদে পাল্লা বাংলোয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সঙ্গে  তার আলাপ হয়।তিনি একদিন তার ঘরেও যান।পুত্র সন্তানকে উপহার হিসেবে খেলনা ঘোড়ার দোলনা উপহার দেন।লক্ষ্মীবাবুর স্ত্রী মঞ্জু মোদকের বাপের বাড়ি রাণীগঞ্জ শুনে সেখানে থিয়েটার করতে যাবার স্মৃতিচারণা করেন।লক্ষ্মীবাবু জানান,'অবাক হয়েছি বিরাট অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও নিরহংকার, যেন আপনজনের সঙ্গে আলাপচারিতা।" তিনি শুটিং করেন  পাল্লা দামোদর নদের পাড় , বড়শুল হাটতলায়, ও  তাঁতখন্ডের নেলোদিঘীর পাড়ে।এই সমস্ত দিনের কথা আজও স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করে।

Post a Comment

0 Comments