১২০০ বছর পার হলেও, রীতি মেনেই হয়ে আসছে কল্যাণেশ্বরী মায়ের পুজো

Subscribe Us

১২০০ বছর পার হলেও, রীতি মেনেই হয়ে আসছে কল্যাণেশ্বরী মায়ের পুজো




নিলেশ দাস, আসানসোল:- পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খণ্ড সীমানায়  অবস্থিত কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে এখনও পুরনো রীতি মেনেই পুজো হয়ে চলেছে।১২০০ বছর পার হলেও জৌলুস বেড়ে চলেছে, কমেনি ভক্তদের ভিড়।অনেক টাই পাল্টেছে পুজোর ধরন।প্রদীপের আলোর বদলে দেবীর আরাধনা হয় এখন ঝলমলে আলোয়।
মন্দিরের প্রধান সেবাইত দিলীপবাবু জানান, গত ১২০০ বছর ধরে মন্দিরে পুজো আসে পুরুলিয়ার কাশিপুর রাজ পরিবার থেকে।মন্দিরের প্রাচীন তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, খ্রিস্টিয় দ্বাদশ শতাব্দীতে কাপালিক দেবদাস চট্টোপাধ্যায় কালীর সাধনা করার জন্য এখানে এসে ছিলেন।সেই সময় ছিল ঘন জঙ্গল।শোনা যায়,রাজা বল্লাল সেন ছিলেন এই কাপালিকের ভক্ত। কাপালিকের নির্দেশ মেনে বল্লাল সেন অধুনা শ্রবনপুরে একটি মন্দির নির্মাণ করেন। সেখানেই বহু বছর আরাধনা হয় দেবী শ্যামারূপার। জনশ্রুতি,একদিন কল্যাণেশ্বরীর কাছে একটি গভীর গর্তে দেবী আশ্রয় নেন। তখন থেকেই দেবী ওই জায়গাতেই পূজিতা হচ্ছেন।এলাকা বাসির বিশ্বাস, শ্রবন পুরের ওই মন্দিরের আশপাশে বসতি গড়ে উঠতে শুরু করে।কোলাহলে রুষ্ট হন দেবী। তাই নিরিবিলি জায়গা কল্যাণেশ্বরীতে উঠে আসেন তিনি।



বিগত ১২০০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে আসছেন ভক্তরা। বছরের অন্য সময় সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ হয়ে যায় মন্দিরের দরজা। কিন্তু কালীপুজোর সময় সারা রাত পুণ্যার্থীদের জন্য খোলা থাকে মন্দিরের দরজা।এখন কালীপুজোর দিন বিশেষ পুজো হয়। কার্তিকী  অমাবস্যা তিথিতে নিষ্ঠা সহকারে দেবীর পুজো হয়।তবে এই বছর করোনা ভাইরাসের কারনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক ব্যাবহার করা বাধ্যতা মূলক বলে জানান মন্দীরের প্রধান সেবাইত।



Post a Comment

0 Comments

close