কৃষি জমিতে বেড়েছে মাজরা পোকা, শোষক পোকার উপদ্রব, ক্ষতির মুখে বেঁন্দুয়া বাজিতপুর এলাকার কৃষকরা

Subscribe Us

কৃষি জমিতে বেড়েছে মাজরা পোকা, শোষক পোকার উপদ্রব, ক্ষতির মুখে বেঁন্দুয়া বাজিতপুর এলাকার কৃষকরা



রাজ্যের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা শস্যগোলা হিসেবে পরিচিত। জেলার মধ্যে দক্ষিণ দামোদর এলাকায় ধান উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।এলাকার রায়না ও খণ্ডঘোষে সুগন্ধি ধানের চাষ হয় ব্যাপক হারে।কিন্তু এলাকার কৃষকদের ক্ষোভ ঠিক মত  সরকারি সহযোগিতা তাঁরা পান না। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ও উন্নত প্রক্রিয়ায় কৃষিকাজ করলে উৎপাদন বাড়বে।জেলা বা রাজ্য ছাড়িয়ে দক্ষিণ দামোদরের সুগন্ধি ধানের কদর গোটা দেশেই।উচ্চ ফলনশীল বীজ, সার কীটনাশক, নিয়ম মেনে মাটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে যদি সরকারি সাহায্য করা হয় তাহলে কৃষির বিকাশ ঘটবে বলে মনে করছেন জেলার রায়না থানার অন্তর্গত সেহারা অঞ্চলের বেঁন্দুয়া বাজিতপুর এলাকার কৃষকরা। রায়না ব্লকের কৃষি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে উঠলেও বিজ্ঞানভিত্তিক চাষের পক্ষে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল না থাকার কারণেই প্রথা ভিত্তিক চাষে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন এলাকার কৃষকরা।কৃষি সহায়তা কেন্দ্র থেকে কৃষকদের জন্য সাহায্য করার কথা বলা হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় কৃষকদের। সেই কারণে ধান ওঠার মুখে ফল ভুগতে হচ্ছে তাঁদের। কৃষিক্ষেত্রে বা জমিতে বেড়েছে মাজরা পোকা, শোষক পোকার উপদ্রব। রোগ পোকার আক্রমণ ঠেকাতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হচ্ছে ধানে। এলাকায়  সুগন্ধি ধানের চাষ বিঘের পর বিঘে জমিতে। পোকার আক্রমণ প্রতিহত করতে সপ্তাহে দুবার করে জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হচ্ছে।বাজার থেকে চড়াদামে কীটনাশক কিনতে হচ্ছে কৃষকদের।কিন্তু প্রশ্ন এই জায়গাতেই। এত খরচ করে  কি হবে, কৃষকরা আদৌ লাভের মুখ দেখবেন কিনা সে সম্পর্কে যথেষ্ট সংশয় রয়েছেন তাঁরা নিজেরাই। এলাকার প্রায় ৮০% কৃষিজীবী হলেও বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে। করোনা আবহের কারণে বাইরে যাঁরা কাজ করতেন তারা বাড়ি ফিরে এসে কৃষি কাজে নিয়োজিত হয়েছেন। তাই বর্তমানে অর্থ উপার্জনের একমাত্র রাস্তা বলতে কৃষিকাজ। সেখানে যদি সরকারি সহায়তা না পাওয়া যায় তাহলে কৃষকরা কোথায় যাবেন।প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার কৃষকরা।এই বিষয়ে রাজ্যের কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার বলেন, চাষীদের রোগ পোকার আক্রমণ নিয়ে সচেতনতা করা হয়।তবে যাতে ব্লক কৃষি আধিকারিকরা আরো বেশি উদ্যোগী হন সেই বিষয়ে কথা বলবেন।

Post a Comment

0 Comments

close