গরু চোরাচালানের মামলায় অভিযুক্ত বিএসএফ কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

Subscribe Us

গরু চোরাচালানের মামলায় অভিযুক্ত বিএসএফ কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ আদালতের



নিলেশ দাস,আসানসোল:-বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারকে সিবিআই গ্রেপ্তার করে বুধবার আসানসোল সিবিআই আদালতে হাজির করা হয়।মহামান্য আদালতের রায়ে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে, সতীশ কুমারের আইনজীবী শেখর কুন্ডু সরাসরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে সতীশ কুমারকে ফাঁসানো হয়েছে বলে জানান। তিনি জানান ২০১৮ সালে জুবেদি মেথুউস নামে বিএসএফের কমান্ডমেন্টকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এন্নাকুলামে এবং কোচিতে মামলা চলছিল। সেই মামলায় এনামুল হককেও গ্রেপ্তার করা হয় পরবর্তী কালে তাদের দুজনের জামিন হয়ে যায়। মামলায় কয়েকজন বিএসএফের কমান্ডমেন্টের নাম উঠে আসে তার মধ্যে সতীশ কুমারের নাম জড়িত রয়েছে। সতীশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ২০০০০ গরু পাচার করেছিলেন এবং ইনামুল হক, আনারুল শেখ ও গুলাম মুস্তাফা গরু পাচারের সাথে যোগাযোগ ছিল। সতীশ কুমারের আইনজীবী স্পষ্ট জানান গরুগুলো বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে আটক করেছিল এবং সরকারি কাস্টমস দপ্তর সেগুলো নিলামে বিক্রি করে ইনামুল হকের কাছে। গরুগুলো বিক্রির ব্যাপারে সতীশ কুমারের কোন হাত ছিল না, তিনি অবৈধভাবে টাকা নিয়েছেন তার কোন প্রমাণ সিবিআইয়ের কাছে নাই, তার শশুর বা ছেলের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে যে টাকা আছে তা সতীশ কুমার পাঠিয়েছিল তারও কোন প্রমাণ নাই সিবিআইয়ের কাছে। সামনে নির্বাচন রাজনৈতিক চাপে সতীশ কুমারকে ফাঁসানো হয়েছে বলে জানান সতীশ কুমারের আইনজীবী শেখর কুন্ডু।
মালদা ও মুর্শিদাবাদে গরু চোরাচালানের মামলায় জড়িত থাকার কারণে সতীশ কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।নিজাম প্যালেসে সিবিআই কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সতীশ কুমারকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে তাকে সাত ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সতীশ কুমার তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন।তাঁর বক্তব্যেও অনেক বৈষম্য ছিল। গরু চোরাচালানের ঘটনা প্রকাশের পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ত্রাসী সংগঠন জেএমবির সাথে সংযোগের ক্ষেত্রে গো চোরাচালানের কেলেঙ্কারিও প্রকাশ্যে এসেছে। গো পাচারের মূল আসামি ইনামুল হকের সাথে সতীশ কুমারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। 



Post a Comment

0 Comments