নিউ নর্মালে কার্ত্তিকের হাত ধরে ছন্দে ফিরছে বাজার

Subscribe Us

নিউ নর্মালে কার্ত্তিকের হাত ধরে ছন্দে ফিরছে বাজার



লকডাউনে আর কোভিড আবহে বাজার একেবারেই জমে নি।হালখাতায় লক্ষ্মী গণেশ মূর্তির বিক্রি হয় নি বললেই চলে।মূর্তির পসরা সাজিয়ে বসলেও বাজারে ক্রেতা ছিল না। কিন্তু দীর্ঘ লকডাউনের পর এবার নিউ নর্মালে কার্ত্তিকের হাত ধরে ছন্দে ফিরছে বাজার।
বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্বরে কার্ত্তিকের হাট বসেছে। ছোট বড় মাঝারি থেকে সব রকম সাইজের মূর্তি মিলছে।কোর্ট কম্পাউণ্ড থেকে বিসি রোড, নীলপুর বাজার সব জায়গাতেই কার্তিকেয় যেন স্বমহিমায় হাজির।লকডাউনে মুষড়ে পড়া মৃৎশিল্পীদের ঠোঁটে খানিকটা হলেও হাসির ঝিলিক।ধীরে ধীরে জনজীবন স্বাভাবিক হচ্ছে করোনাকে সঙ্গী করেই।দিন পাঁচেক লোকাল ট্রেন চালু হয়েছে বর্ধমান হাওড়া মেইন ও কর্ড শাখায়। তাই গতি পাচ্ছে শহর বর্ধমান।তাই মৃৎশিল্পীদের কপাল খুলছে। 
নীলপুরের বাসিন্দা মৃৎশিল্পী জয়ন্ত কর্মকার বলেন, কার্তিকের চাহিদা আছে। তিনি আশাবাদী পুজোর আগে সব মূর্তিই বিক্রি হয়ে যাবে।তবে তিনি বলেন লকডাউনের জন্য মূর্তির দাম বাড়াতে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন।কারণ লকডাউনে ঠিক মত কলকাতা থেকে মূর্তি তৈরির উপকরণ আসছে না। লোকাল বাজারে চড়া দাম দিয়ে ঠাকুর তৈরির বিভিন্ন মাল মশলা কিনতে হচ্ছে। তাই মূর্তি পিছু বিশ পঞ্চাশ টাকা তাঁরা বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন।দাম বাড়লেও ক্রেতারা অখুশি নয়। 
বিপ্লব সিনহা বলেন দাম হয়তো একটু বেড়েছে। তবে তা আয়ত্তের মধ্যেই আছে।আর এক ক্রেতা কুসুমিতা চক্রবর্তী বলেন দাম নাগালের মধ্যেই আছে।
তাই কার্ত্তিকের হাত ধরেই নিউ নর্মালে বাজার ধরতে চাইছেন মৃৎশিল্পীরা।টানা লকডাউনে সংকটে পড়া দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজন হয়তো এইভাবেই জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবেন।

Post a Comment

0 Comments