ডার্বির উত্তাপ পৌঁছে গেল রাজার শহর বর্ধমানেও

Subscribe Us

ডার্বির উত্তাপ পৌঁছে গেল রাজার শহর বর্ধমানেও

ইণ্ডিয়ান সুপার লিগের খেলায় এই প্রথমবার মুখোমুখি হলো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান এবং  ইষ্টবেঙ্গল। ঐতিহাসিক এই ম্যাচেও ছিল কোভিডের  কাঁটা। দর্শকশূন্য  মাঠেই মরসুমের প্রথম ডার্বি খেলল  দুই প্রধান। কিন্তু বাঙালির দু'ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়া চিরকালীন ডার্বির উত্তাপ পৌঁছে গেল রাজার শহর বর্ধমানেও। গোয়ার তিলক স্টেডিয়ামে 


সবুজ মেরুন ঝড়ে  উদ্বেল হলো বর্ধমান শহরের মোহনবাগান জনতা,সবুজ মেরুন ফ্যান। কোথাও জায়ান্ট স্ক্রিন, কোথাও আবার ফ্যান জোন। জয়ের পর সেলিব্রেশন হল গোটা শহর জুড়ে। হালকা শীতের আমেজে এক কথায় শুক্রবারের সন্ধ্যা মেগা হিট 'ডার্বি'।
সপ্তম হিরো ইণ্ডিয়ান সুপার লিগে এই প্রথমবার নাম লিখিয়েছে এটিকে মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল এস সি।  এটি আইএসএলের প্রথম ডার্বি। ফুটবল পাগল বাঙালি ম্যাচ নিয়ে আবেগে ভেসে ছিল৷আর ভাসবেই না কেন! কিন্তু করোনার জেরে মাঠে ঢোকা যে বারণ। তা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শহরের বুকেই নেওয়া গেলো খেলার মাঠের উত্তাপ। বর্ধমান শহরের  নামী একটি  হোটেলে মোহনবাগান সমর্থকরা তৈরি করেছিলেন ফ্যানজোন। আয়োজক রাজীব চৌধুরী বলেন, স্যানিটাইজার দিয়ে প্রবেশ করে, মাস্ক পড়ে রীতিমতো গায়ে জার্সি জড়িয়ে মোহনবাগান সমর্থকরা ম্যাচ উপভোগ করলেন। রয় কৃষ্ণ, মনবীর সিং এর গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল শহরের মোহনবাগান সমর্থকরা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে দু'গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর জ্বললো সবুজ-মেরুন মশাল। অন্যতম আয়োজক সায়ন্তন রায় বলেন, মোহনবাগান ক্লাবের সদস্য হয়েও মাঠে যেতে পারছি না।গ্যালারিতে গলা ফাটাতে পারছি না প্রিয় দলের  হয়ে।দুঃখ তো লাগে।ভীষণ খারাপ লাগে। কিন্তু কোভিড বিধি তো মানতে হবে।তাই এই আয়োজন। তিনি বলেন সন্ধেতে ছিল হালকা স্ন্যাকস আর রাতে ডিনার প্যাকেট।
বর্ধমান শহরের পারবীরহাটায়  একটি রেস্টুরেন্টে এলাহী খানাপিনার সঙ্গে  খেলা দেখার আয়োজন করা হয়েছিল।  নামমাত্র মূল্যে কুপন কেটে চলে ডার্বি দেখা। ঠাণ্ডা  পানীয়, স্ন্যাকস,ডিনার সঙ্গে উত্তেজক ম্যাচ।অন্যদিকে শহরের নীলপুরের জাগরনী সংঘের মাঠেও ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা জায়ন্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করে। 
দুপুর থেকেই পাড়ায় পাড়ায়  ডার্বির কাউণ্ড ডাউন শুরু হয়ে যায়।সন্ধে গড়াতেই মাঠের উত্তেজনা হাজির হয়ে চার দেওয়ালের মাঝে। সবার খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল। এককথায়, সুপার ডুপার শুক্রবার।

Post a comment

0 Comments