"দুয়ারে সরকার " কর্মসূচির সূচনা হল পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও

Subscribe Us

"দুয়ারে সরকার " কর্মসূচির সূচনা হল পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও



পূর্ব বর্ধমানের মোট ১৮ টি শিবিরে আজ কাজ শুরু হল।এরমধ্যে বর্ধমান শহরে রয়েছে দুটি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বর্তমানে কার্যকরী ১১ টি প্রকল্পের সুযোগ বাড়ির কাছের ক্যাম্পে গিয়ে নিতে পারবেন উপভোক্তারা। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসাথী,খাদ্যসাথী,কৃষকবন্ধু বা কন্যাশ্রীর মতো মোট ১১টি প্রকল্প আছে।বর্ধমানের ষাড়খানা গলিতে শিবিরে দেখা গেল বেশ কিছু উপভোক্তা হাজির রয়েছেন।বেলা যত গড়াচ্ছে ভিড় বাড়তে পারে।অন্যদিকে প্রশাসনের তরফে কর্তাব্যক্তিরা এই প্রকল্পের দেখভাল করতে হাজির রয়েছেন।বর্ধমান পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক অমিত গুহ জানান , তিনটি ভ্রাম্যমাণ প্রচার গাড়ি গোটা শহরে প্রচার করছে। গতকাল সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষদের জানানো হয়েছে। আজ ১০ টা থেকে ক্যাম্প করে কাজ শুরু হয়েছে। বর্ধমানের সদর মহকুমাশাসক ( উত্তর) দীপ্তার্ক বসু জানান জেলা আজ কর্মসূচি শুরু হল।এখানে উপভোক্তার আসছেন।তারা এখানে প্রকল্পগুলি সম্পর্কে জানতে পারবেন।নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। এছাড়া কোনো অভিযোগ থাকলে তাও নথিভুক্ত করা হবে।পরবর্তী পর্যায়ে তার সম্পর্কে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ষাড়খান গলিতে যে ক্যাম্প হয়েছে সেখানে প্রকল্পগুলিকে তুলে ধরতে ব্যানার ও ফ্লেক্স টাঙানো আছে। রেজিষ্ট্রেশন ও ফর্ম দেবার বা জমা দেবার কাউন্টার আছে। তবে প্রতি প্রকল্পের কোনো আলাদা কাউন্টার চোখে পড়েনি।বারবার ঘোষণা করা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি ও দূরত্ব বজায় রাখতে। উপভোক্তার কিন্তু টানা লাইনই দিচ্ছেন।বেশিরভাগ উপভোক্তাই দেখা গেল স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে আগ্রহী।শেখ মহঃ রফিক যেমন একজন উপভোক্তা। তার স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ফর্ম প্রয়োজন।ব্যবস্থা মোটের উপর ভাল বলেই তার অভিমত। আর এক উপভোক্তা মীরা সাহা জানিয়েছেন গতকাল মাইকে ঘোষণা শুনে তিনি আজ এখানে এসেছেন। তার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। অন্যদিকে ডিজিটাল রেশন কার্ড নেই বলে জানালেন মহঃ রফিক সহ কয়েকজন উপভোক্তা। তাদের আশা এই শিবিরে এই সমস্যার সুরাহা হবে।

Post a comment

0 Comments