নতুন বছরের শুরুতে দেশের সব টোলপ্লাজায় চালু হচ্ছে একশো শতাংশ ফাস্ট ট্যাগ ব্যবস্থা

Subscribe Us

নতুন বছরের শুরুতে দেশের সব টোলপ্লাজায় চালু হচ্ছে একশো শতাংশ ফাস্ট ট্যাগ ব্যবস্থা



এবার থেকে একেবারে হাণ্ডেড পারসেন্ট ফাস্টট্যাগ।নতুন বছরের শুরুতে এই নয়া নিয়ম লাগু হচ্ছে দেশের সব টোলপ্লাজায়।
যানবাহনের গতি বাড়াতেই কেন্দ্রীয় সরকার টোলপ্লাজাগুলিতে ফাস্ট ট্যাগের উপর জোর দিয়েছে।দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্গাপুরের বাঁশকোপা,পূর্ববর্ধমানের মেমারির পালসিট ও হুগলীর ডানকুনীতে মোট তিনটি টোলপ্লাজা আছে।বছর দেড়েক আগে টোলপ্লাজায় ফাস্ট ট্যাগ চালু হয়। যে উদ্দেশ্য নিয়ে ফাস্ট ট্যাগ চালু করা হয়, দেখা যায় তাতে টোলপ্লাজায় যানজট আটকানো যাচ্ছে না। আসলে অর্ধেকের বেশী গাড়িতে ফাস্ট ট্যাগ লাগানো হলেও একটা বড় অংশ এর আওতার বাইরে রয়ে গেছে। ফলে প্রতিদিন টোলপ্লাজায় যানজট হচ্ছে। টোলের দু'দিকেই সারি সারি গাড়ির লাইন পড়ে যাচ্ছে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে যানবাহন। তাই এবার আর নয়, একেবারে সব যানবাহনকে ফাস্ট ট্যাগের আওতায় আনতে সরকার বদ্ধ পরিকর।
ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পালসিট টোলপ্লাজায় ফাস্ট ট্যাগের জন্য প্রচার চলছে। টোলের কর্মীরা লিফলেট বিলি করছে বিভিন্ন যানবাহনে।পাশাপাশি ব্যানার, ফেস্টুন ও হোডিং দিয়ে প্রচার জোরদার করা হয়েছে। 
পালসিট টোলপ্লাজায় গাড়িতে ফাস্ট ট্যাগ লাগানো হচ্ছে অনস্পট। পালসিট টোলপ্লাজার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক তমালচন্দ্র চৌধুরী বলেন, প্রচারে কোন খামতি রাখা হচ্ছে না। টোলপ্লাজায় যানজট মুক্ত করার জন্যই এই নয়া আইন চালু করা হচ্ছে দেশের সব টোলে।একেবারে একশো শতাংশ ফাস্ট ট্যাগ।তিনি দাবী করেন ইতিমধ্যেই মোটামুটি ৭০ শতাংশ যানবাহনে ফাস্ট ট্যাগ লাগানো হয়েছে। বাকী যানবাহন ফাস্ট ট্যাগের আওতায় এলে গাড়ির গতি বেড়ে যাবে। টোলপ্লাজায় টোল দেওয়ার জন্য দাঁড়াতে হবে না। সারি সারি গাড়ির লাইনও হবে না।
কলকাতার বাসিন্দা জামাল উদ্দিন খান তার পরিবার নিয়ে বাঁকুড়া যাওয়ার পথে পালসিট টোলপ্লাজায় ফাস্ট ট্যাগ করিয়ে নেন তার চারচাকায়।তিনি বলেন এরফলে যাত্রাপথে আর প্লাজায় দাঁড়িয়ে টোল দিতে হবে না।সময় অনেক বেঁচে যাবে বলে তিনি মনে করেন।
কিন্তু প্রশ্ন হল একেবার একাশো শতাংশ ফাস্ট ট্যাগ চালু হলেও কি  টোলপ্লাজাগুলিতে যানজট আটকানো যাবে। কারণ টোলপ্লাজায় থাকায় মেশিনপত্র এখনো সেকেলে।ফাস্ট ট্যাগের জন্য টোলপ্লাজায় মেশিনগুলিকেও ফাস্ট করতে হবে বলে জানান  টোলের কর্মীরা। নাহলে ভোগান্তি কমবে না। বরং সমস্যা আরো বাড়বে। এই বিষয়ে টোলের আধিকারিক তমালবাবু বলেন সবই উন্নত করা হবে।তার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments