দুয়ারে নয় এবার হাসপাতালে গিয়ে রোগিকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করে দিলেন বিডিও

Subscribe Us

দুয়ারে নয় এবার হাসপাতালে গিয়ে রোগিকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করে দিলেন বিডিও

 


পূর্ববর্ধমানের গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিডিও নিজে হাসপাতালে গিয়ে অপারেশনের জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিয়ে এলেন সোমবার সন্ধ্যায়। গলসি গ্রামের বেনেপুকুর পাড়ার বাসিন্দা সুলেখা আঁকুড়ে সোমবার সকালে বুকে যন্ত্রনা নিয়ে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যান। তার বয়স একত্রিশ বছর। সুলেখার স্বামী একটি বেসরকারী মোবাইল সংস্থার সেলসর কাজ করেন। বাড়িতে বিধবা শ্বাশুড়ি ও একটি তার একটি পাঁচ বছরের পুত্র সন্তান রয়েছে। ভূমিহীন দরিদ্র পরিবারে সুলেখার স্বামী সমীর কুমার আঁকুড়ের রোজগারেই কোনরকমে সংসার চলে।
হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা করার পর হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাকে কি এক্সরে সহ পেটের ছবি করতে বলেন।  রির্পোটে দেখা যায় তার ফুসফুসের ভিতরে জল জমেছে এবং ফুসফুসে একটি স্পট তৈরি হয়েছে । তার জন্য গৃহবধূর তড়িঘড়ি অপারেশনের প্রয়োজন। রিপোর্ট শুনে পরিবারের লোকজন বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চান।কিন্তু  অপারেশন করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ তাদের কাছে নেই। সমীরবাবু বিষটি স্থানীয় নেতা তথা গলসি ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি সুজন মণ্ডলকে জানান। সুজনবাবু বিষয়টি গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিডিও সঞ্জীব সেন ও স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝিকে জানান। গোটা বিষয়টি জানার পর বিডিও সঞ্জীব সেন স্বাস্থ্যসাথী টিমকে সোজা পৌঁছে যান বর্ধমান মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে । সঙ্গে যান বিধায়ক অলোক মাঝি ও তৃণমূল নেতা সুজন মণ্ডল। ছবি তোলার মেশিন সহ সকল সরঞ্জাম নিয়ে তাঁরা হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে সুলেখার স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে সুলেখা বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি রয়েছেন। সরকারের এমন উদ্দ্যোগে খুশি পরিবারের লোকজন।
বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন সুলেখাদেবী দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের আবেদন জমা করেছেন।কিম্তু তিনি এখনো হাতে কার্ড পান নি।গোটা বিষয়টি জানার পরই ব্লক প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে হাসপাতালে কার্ড তৈরি করে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হল।বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সব সময় মানুষের সঙ্গে আছে।এদিন তার জলন্ত প্রমাণ।

Post a comment

0 Comments