পাঁচ জেলার কৃষি আধিকারিক দের নিয়ে বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্য কৃষি উপদেষ্টা

Subscribe Us

পাঁচ জেলার কৃষি আধিকারিক দের নিয়ে বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্য কৃষি উপদেষ্টা



খামখেয়ালী আবহাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চাষীরা।সপ্তাহ খানেক জাঁকিয়ে শীত পড়ছিল।তারপর ঠাণ্ডা কার্যত উধাও। আর এতেই আলুচাষীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।তাই আলু উৎপাদন পাঁচ জেলাকে নিয়ে বৈঠকে বসলেন রাজ্যের মুখ্য কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার। বর্ধমানের কৃষিখামারের মাটিতীর্থ কৃষিকথা প্রাঙ্গণে পাঁচ জেলার আধিকারিক দের নিয়ে আলু নিয়ে আলোচনা হলো। বাঁকুড়া, হুগলী, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের কৃষি আধিকারিকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। 
এবছর এমনিতেই আলুর দাম ছিল নাগালের বাইরে।আলুর দাম একটা সময়ে কিলোতে ৬০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। প্রদীপবাবু জানান এবছর আলু চাষের জমির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় বেড়েছে।গোটা রাজ্যের এবছর আলুচাষের পরিমাণ চার লক্ষ হেক্টর জমিতে।
আলুচাষের বৈঠকে কৃষি আধিকারিকরা ছাড়াও কীটনাশক প্রস্তুতকারী সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। শীত কমে যাওয়ায় আলুতে নাবি ধ্বসার আক্রমণ ঘটে।আলু গাছে শুকিয়ে যায়।ফলে আলুর ফলন একেবারে কমে যায়।তাই যাতে আলুচাষীদের ধ্বসার হাত থেকে বাঁচাতে কি করতে হবে,প্রয়োজনীয় বা চাহিদা মত কীটনাশক মজুত আছে কি না। এই সবই বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় ছিল।
বৈঠকে কীটনাশক সরবরাহকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান তাদের কাছে পযাপ্ত পরিমাণে ওষুধ মজুত আছে।সুতরাং ভয়ের কোন জায়গা নাই।
তবে গতকাল বুধবার থেকে আবহাওয়া বেশ পরিবর্তন হয়েছে।উদ্ধমুখী  তাপমাত্রা ফের নিম্নগামী।শীত ফিরেছে বাংলায়।  প্রদীপবাবুর আশা আর অন্তত দু'সপ্তাহ টানা ঠাণ্ডা থাকলে নাবি ধ্বসার হাত থেকে আলুচাষ বাঁচবে।
 বছর তিনেক আগে ধ্বসায় আলুচাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন চাষীরা।মাঠের পর মাঠ আলু জমি ধ্বসায় শেষ হয়ে যায়।চাষীরা চরম সংকটে পড়েন।মারাত্মক লোকসান হয় আলু চাষে।ক্রমাগত জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেও সেই বার কোন কাজ হয় নি।বাঁচানো যায় নি আলু গাছকে।তাই এবার রাজ্যের কৃষি দপ্তর আগেভাগেই উদ্যোগ নিয়েছে ধ্বসা রোধে।

Post a Comment

0 Comments

close