বিডিওর অপসারণ চেয়ে আন্দোলনে নামলেন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মচারীরা

Subscribe Us

বিডিওর অপসারণ চেয়ে আন্দোলনে নামলেন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মচারীরা





ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কর্মী বিডিওর বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে শুক্রবার ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির কর্মচারীরা বিডিওর অপসারণ চেয়ে আন্দোলনে নামলেন।এদিন ভাতার বিডিও অফিসের কর্মীরা বুকে কালো ব্যাজ লাগিয়ে বিডিওর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান।তারা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির কাছে বিডিওর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ডেপুটেশন দেন।পাশাপাশি ভাতারের বিডিওকে অপসারণের দাবিতে জেলা প্রশাসনের কাছেও স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে বলে অফিসকর্মীরা জানান।পঞ্চাশজনের বেশী কর্মী আন্দোলনে সামিল হন এদিন।
শুক্রবার ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির ডাটা এন্ট্রি অপারেটর সন্দীপ ব্যানার্জি ভাতারের বিডিও তপন সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ইস্তফাপত্র জমা দেন। ওই ইস্তফাপত্র গ্রহন করার সুপারিশ করে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠান ভাতারের বিডিও তপন সরকার।
এদিন ভাতার বিডিও অফিসের সামনে অফিসকর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান।বিডিওর অপসারণের দাবি এবং সন্দীপ ব্যানার্জিকে কাজে ফেরানোর দাবিতে স্লোগান দেন।
ভাতার বিডিও অফিসের কর্মী প্রদ্যোত চন্দ্র, আসফাকউল্লা পিয়াদারা বলেন, " শুধু সন্দীপবাবুর ওপরেই নয় , ভাতারের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিডিও প্রায় প্রত্যেক কর্মীর ওপর মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন।এমনিতেই ছুটির দিনে চাপ দিয়ে কাজ রাত পর্যন্ত কাজ করান।গভীর রাতেও ফোন করে বা হোয়াটসআ্যাপে নানা নির্দেশ পাঠান।তার পাশাপাশি প্রচণ্ড দুর্ব্যবহার করেন।অস্থায়ী কর্মীদের চাকরি খেয়ে নেওয়ার হুমকি দেন বিডিও।
মাসদুয়েক আগে ভাতারে বিডিওর দায়িত্বে এসেছেন তপন সরকার।এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে এইসমস্ত অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন অফিসের কর্মীরা।তবে বিডিও বলেন," আমি কারও সঙ্গে দুর্ব্যবহার করিনা। সরকারি দায়িত্ব পালন করি। এরপরেও আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ দুর্ভাগ্যজনক।

Post a Comment

0 Comments