এলাকার একমাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্র খোলার দাবীতে রাস্তা অবরোধ স্থানীয়দের

Subscribe Us

এলাকার একমাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্র খোলার দাবীতে রাস্তা অবরোধ স্থানীয়দের



বছরের শেষদিনে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একমাত্র চিকিৎসক অবসর নিয়েছেন। তারপর থেকেই ঝাঁপ বন্ধ হৈমবতী দাতব্য চিকিৎসালয়ের।সপ্তাহ খানেক ধরে এলাকার একমাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দরজায় তালা পড়ে থাকায় বুধবার স্থানীয় বাসিন্দারা সরব হন।তাঁরা স্বাস্থ্যকেন্দ্র খোলার দাবীতে এদিন সকাল থেকে রাস্তা অবরোধ করেন।১০৩ বছরের পুরনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পাঁচড়ায় অবস্থিত হৈমবতী দাতব্য চিকিৎসালয়।কিন্তু তা এখন বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।কারণ ৩১ ডিসেম্বর এখানকার চিকিৎসক অবসর নেন।তারপর আর নতুন কোন চিকিৎসক এখানো যোগ দেয় নি।তাই তালাও খোলে নি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দরজার।তার প্রতিবাদে এদিন মেমারী তারকেশ্বর রোডের চৌবেড়িয়ার হাটতলায় এলাকার বাসিন্দারা একজোট হয়ে পথ অবরোধ করে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজু ঘোষ বলেন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বয়স ১০৩ বছর। বর্তমানে একজন চিকিৎসক ও একজন কম্পাউণ্ডার ছিলেন। কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর চিকিৎসক অবসর নেন। তারপর থেকেই কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে আছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। 
আশপাশের এলাকার কয়েকহাজার বাসিন্দা এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল।এলাকার বাসিন্দা শ্রীকান্ত নন্দী বলেন ২০ থেকে ২২ টি গ্রামের মানুষজন এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর ভরসায় থাকেন।প্রতিদিন গড়ে আড়াইশো থেকে তিনশো জন মানুষ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু তা এখন বন্ধ হয়ে পড়ায় চরম সংকটে পড়েছেন।১২ কিলোমিটার দূরে মেমারি হাসপাতাল ও ৩০ কিলোমিটার দূরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া আর কোন দ্বিতীয় পথ নাই। 
দীর্ঘক্ষণ অবরোধে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটকে পড়ে।জামালপুর থানার পুলিশ ও ব্লকের জয়েন্ট বিডিও এলাকার বাসিন্দাদের চিকিৎসকের বিষয়ে আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
পাঁচড়ার বাসিন্দা মধুসূদন ব্যানার্জী বলেন তাদের দাবী দুটি বেড ও একজন চিকিৎসকের।এই বিষয়ে জয়েন্ট বিডিও গৌতম দত্ত বলেন বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments