লিলুয়া হোমে লকেট চট্টোপাধ্যায়

Subscribe Us

লিলুয়া হোমে লকেট চট্টোপাধ্যায়



নিজস্ব সংবাদদাতা :   গত ১৫ ডিসেম্বরের রাতে, মা-বাবার সঙ্গে ঝগড়া করে বাড়ি ছেড়েছিল নাবালিকা। হাওড়া জিআরপির সাহায্যে ঠাঁই পেয়েছিল লিলুয়ার সরকারি হোমে। দিন ২০ পর যখন বাড়ি ফিরল, নাবালিকা তখন শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। শরীরের পাশাপাশি মনের ক্ষত আরও গভীর। বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ নাবালিকার পরিবার। হোম। মানে ঘর। সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গা। সেই হোম যদি সরকারি হয়, তাহলে সুরক্ষার দায়িত্বও সরকারের। অথচ লিলুয়ার সরকারি হোমেই শারীরিক ভাবে ক্ষতবিক্ষত হল চুঁচুড়ার নাবালিকা। লিলুয়া হোমের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে চুঁচুড়া সদর মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন নাবালিকার পরিবার । সপ্তাহ তিনেক আগে ঘর ছাড়া নাবালিকাকে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সেফটিপিন দিয়ে খোদাই করে দেওয়া দিদিদের নামের আদ্যাক্ষর। নির্মম, অমানবিক এই ঘটনায় সরব হয়েছেন ওই নাবালিকার বাড়ির এলাকা চুঁচুড়ার মানুষ। যারা এই নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত তাদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন নাবালিকার বাবা-মা।  ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা চরমে। নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সরাসরি ক্ষোভ উগড়ে দেন রাজ্য সরকারের উপর। অভিযোগ করেন, রাজ্য প্রশাসনের মদতেই প্রত্যেকটি হোমে হয়ত এধরনের র্যাকেট চলছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লকেট বলেন, “মর্মান্তিক,দুঃখজনক ও নারকীয় ঘটনা। হোমের এক একটা করে মুখোশ বেরিয়ে আসছে। সরকারি হোম গুলোর মধ্যে কি অব্যবস্থা করে রেখেছে। সরকারি হোমে সরকার তাদের দেখবে, কিন্তু তাদের কাছে যদি এরম অত্যাচার হয়, সেফটিপিন ফুটিয়ে দিচ্ছে।” শিশু নির্যাতনের বিশদ রিপোর্ট চেয়েছেন বিজেপি-র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ লকেট চট্টোপাধায়।

Post a Comment

0 Comments

close