মঙ্গলকোর্টের ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার বিজেপি-র

Subscribe Us

মঙ্গলকোর্টের ঘটনায় অভিযোগ অস্বীকার বিজেপি-র


মৃত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সঞ্জিত ঘোষের ময়নাতদন্ত হচ্ছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের নিগন গ্রামের ১৯৭ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জিত ঘোষকে রাস্তায় ফেলে,লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।অভিযোগ  বিজেপি কর্মীরা তাকে প্ররিকল্পনা করে আক্রমণ করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সন্ধ্যায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে  তার মৃত্যু হয়। 
এদিন সকাল থেকেই জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস, যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার সহ অন্যন্য নেতৃত্ব হাসপাতালে যান।হাসপাতালে যান মৃত সঞ্জিত ঘোষের বাবা সাগর ঘোষ।তৃণমূল কংগ্রেসের দাবী নিগনে দলের কোন গোষ্ঠী কোন্দল নেই। বিজেপিই সঞ্জিতকে খুন করেছে।এখানে উল্লেখ্য সোমবার নিগন গ্রামে বিজেপির সভা ছিল।সভায় মূল বক্তা ছিলেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চা সভাপতি তথা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।তৃণমূলের অভিযোগ এই সভা থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্যের জেরে সঞ্জিত ঘোষকে বেধড়ক মারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা । মঙ্গলকোটের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি  ইব্রাহিম শেখকেও মারে দুষ্কৃতীরা। হেলমেট থাকার কারণে চোট সেরকম লাগেনি।গতকাল দুপুরে দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন সঞ্জিত ঘোষ। বাড়ি ঢোকার মুখে নিগন গ্রামে তাকে মারধর করা হয়। ভাঙচুর করা হয় তার গাড়িতেও।
বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর রেল স্টেশনে নবনির্মীত ফুট ওভার ব্রিজ উদ্বোধন করতে এসে মঙ্গলকোটে তৃনমূল কর্মী খুনের ঘটনায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ বলেন, 'যে কোনো মৃত্যুই দুঃখজনক। আমি যা শুনেছি ওই এলাকায় অনুব্রত মন্ডলের সাথে স্থানীয় এমএল এ র গোষ্ঠী দ্বন্দ আছে। সেই গোষ্ঠী দ্বন্দের জেরেই খুন হয়ে থাকতে পারে।  সেখানে কোনো প্ররোচনা মূলক বক্তব্য দেওয়া হয়নি । যে কোনো বিষয়ে আমাকে দায়ী করা অনুব্রত মন্ডলের পুরানো অভ্যাস। সেই অভ্যাসের কারনেই এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে। নিহতের পরিবার আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে আমাকেও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।' 

Post a comment

0 Comments