কৃষি বিলের সমর্থনে ৮০০-র বেশি শিক্ষাবিদ

Subscribe Us

কৃষি বিলের সমর্থনে ৮০০-র বেশি শিক্ষাবিদ




ওয়েব ডেস্ক:- সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০০ -র বেশি শিক্ষাবিদ তিনটি নতুন কৃষি আইনের সমর্থনে দাঁড়ালেন। কেন্দ্রীয় সরকার ও বিক্ষোভরত কৃষকদের মধ্যে যা নিয়ে লড়াই চলছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়, এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদরা কৃষক বিলের সমর্থনে নিজেদের মত দিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন প্রফেসর বিনোদ কুমার জৈন, ভাইস চ্যান্সেলর তেজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, প্রফেসর এইচ সি এস রাঠোর , ভিসি , সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ বিহার, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডক্টর একে ভাগি এবং প্রফেসর নিরঞ্জন কুমার, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রফেসর তেজ প্রতাপ সিং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, প্রফেসর হিরামন তিওয়ারি , জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়। নিজেদের বিবৃতিতে তাঁরা লিখেছেন, 'প্রস্তাবিত কৃষি আইন পরিবর্তনের বিষয়টি ভীষণভাবে সমর্থন করি।  নতুন তিনটি কৃষি আইনে কৃষিপণ্যের ব্যবসা সমস্ত রকমের বাধাবন্ধ থেকে মুক্ত করা হয়েছে যাতে কৃষকরা প্রতিযোগিতামূলক ভাবে নিজেদের পণ্য মার্কেটে বিক্রি করতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকার বারবার কৃষকদের আশ্বস্ত করেছে যে এই তিনটি বিল দিয়ে কৃষকরা শুধুমাত্র মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস অর্থাত্ নূন্যতম সহায়ক মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য থাকবেন না। বাজারের অযৌক্তিক আটকে রাখার নীতি থেকে মুক্ত হবে কৃষি পণ্য বিপণন। শুধুমাত্র মাণ্ডিতেই আটকে থাকবে না বিপণন। বরং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের নিজেদের পণ্য খোলা মার্কেটে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে নিজেদের পণ্য বিক্রি করতে পারবে। এই নতুন নিয়মে কৃষকদের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে তাঁরা যা তৈরি করছে তা বিক্রি করার। ' এদিকে ধৈর্য্যের বাধ ভাঙছে কৃষকদের। আগামী বৈঠকেও রফাসূত্র না মিললে এবার কঠোর পদক্ষেপই নেবেন, একথা সাফ জানিয়ে দিলেন দিল্লি সীমান্তে আন্দোলনকারী কৃষকরা । বুধবারের বৈঠকে কৃষকদের দুটি দাবি নিয়ে কেন্দ্র ও কৃষকরা সম্মতিতে পৌঁছলেও মূল দুটি দাবীই, অর্থাত্ কৃষি আইন প্রত্যাহার ও নূন্যতম সহায়ক মূল্য -র আইনী সুরক্ষার বিষয়ে কোনও রফাসূত্র মেলেনি। এই দুটি বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামী ৪ জানুয়ারি পরবর্তী বৈঠকের দিন হিসাবে ধার্য করা হয়েছে।

 

Post a Comment

0 Comments

close