Subscribe Us

বর্ধমানের পালিতপুরে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ,গুরুতর আহত দু'জন তৃণমূল কর্মী, অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির



ভোটের এখনো প্রায় একমাস দেরি বর্ধমানে।  তার আগেই উত্তপ্ত বর্ধমানের পালিতপুর। বর্ধমানের পালিতপুরে বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ। সংঘর্ষে গুরুতর আহত দু'জন।  এদিন সন্ধ্যায় পালিতপুর গ্রামে একটি হোটেলে ঝামেলা হয়। সেখান থেকেই তা সংঘর্ষের রূপ নেয় । ঘটনায় দু'জন তৃণমূল  কর্মী আহত হয়েছে । আহতরা হলেন সেখ ডালিম এবং শেখ জাহাঙ্গীর। তাদের মাথায় চোট লেগেছে। ঘটনার খবর পেয়ে ডিএসপি হেডকোয়ার্টার সৌভিক পাত্র, বর্ধমান থানার আইসি পিন্টু সাহা বিশাল পুলিশবাহিনী নিয়ে এলাকায় যান।
জখম দুই তৃণমূল কর্মীকে ভর্তি করা হয়েছে  হাসপাতালে। তারা দুজনেই চিকিৎসাধীন। এই ঘটনা নিয়ে ও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপি বা শাসকদল তৃণমূল দু পক্ষই নিজের বয়ানে যুক্তি সাজিয়েছে। দু দলের বয়ান দু রকম। এলাকার বাসিন্দা ও তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক  শেখ আনামত জানিয়েছেন,  এলাকায় তাদের সমর্থক কানাই খাঁয়ের একটি হোটেলে শান্তনু খাঁয়ের নেতৃত্বে ভাঙচুর করা হয়। করা হয় লুঠপাট।  একজন মহিলাকে নিগ্রহ, করা হয়। এরপর তারা প্রতিবাদ করলে দুপক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। সশস্ত্র বিজেপি সমর্থকেরা লাঠি টাঙি নিয়ে এসেছিল। তাদের আক্রমণে দুজন জখম হয়ে হাসপাতালে।  আহত তৃণমূল সমর্থকের একজন সার কিনতে গিয়েছিল বলে দাবি করেন তার ভাই শেখ তারিফ ও শেখ জাহাঙ্গীর আলম। তাদের এই দাবির সাথে বর্ধমান ১ ব্লকের  তৃণমূল যুব সভাপতি মানস ভট্টাচার্যের দাবি, বিজেপি এই এলাকায় বারবার হামলা চালাচ্ছে। তারা সশস্ত্র লোক এনে হামলা করেছে। ওরা মনে করছে ভোটে জিতেই গেছে। তাই মানুষের উপর আক্রমণ করছে। 
এই কথাগুলি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলা বিজেপির সম্পাদক শ্যামল রায়। তার দাবি ঠিক উলটো। তিনি বলেন  এটা তৃণমূল  বিজেপি সংঘর্ষের ব্যাপারই নয়। ওই হোটেলে মদ ও নেশার জিনিস বিক্রি হয়।এলাকার মানুষ বারবার আপত্তি করেছেন। আজ সেই কথা বলতে গেলে তাদের উপর চড়াও হয় কিছু লোক। যাদের তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক বলা হচ্ছে তারা ওই গ্রামের লোকই নয়। বাইরে থেকে এসেছিল। তারাই গ্রামের মানুষের উপর চড়াও হলে ঘটনাটি ঘটে। তিনি জানান ওই এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্ব আর নেই। বেশিরভাগ  মানুষই বিজেপির অনুগামী। তাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে শাসকদল।এর আগেও একাধিকবার এই এলাকাটি রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছে। আজকের ঘটনার পর এলাক্য পুলিশ রয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি থমথমে।

Post a Comment

0 Comments