Subscribe Us

ভোটের দোকান



ভোটের দোকান? তা ও আবার হয় নাকি? আছে আছে। ভোট প্রচারের নানা সামগ্রী নিয়ে বর্ধমানেই রয়েছে দোকান।ভোট আসছে। এ মাসের শেষ থেকেই ভোটপর্ব শুরু হচ্ছে রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় অবশ্য ভোট প্রায় একমাস দেরিতে। কিন্তু রাজ্যের আবহে ভোট নিয়ে টানটান উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রধান প্রতিপক্ষেরা ইতিমধ্যেই প্রচারে নেমে পড়েছেন।এসময় প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই প্রয়োজন ভোটপ্রচারের নানা সামগ্রী।এইসব সামগ্রী নিয়ে বর্ধমান শহরে রয়েছে একটা আস্ত দোকান।ভোট সিজনে এই দোকানে আসছেন দুরদুরান্তের মানুষ। ভোট মানেই গণদেবতার বন্দনা। নানা উপাচার সাজিয়ে তাকে আহবান। ' আয় ভোটার আয় ; ভোট দিয়ে যা'।  কিন্তু ভোটারের মন জয় অত সহজ নয়। তার মন মজাতে নানা ভাবে সাধ্যসাধনা করতে হয়। তার আবার নানা উপকরণ আছে।বামেদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক আছে এসব সামগ্রী যোগান দেবার। অন্য দলগুলির ক্ষেত্রে  সমস্যা। সব পণ্য তো আর কলকাতা থেকে কিনে আনা যায় না। তাই বর্ধমানেই রয়েছে এমন দোকান। দোকানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ; কংগ্রেস ও বিজেপির নানা প্রচারের উপকরণ। কী নেই এখানে? আছে পতাকা; স্টিকার ; লাঠি ; থেকে পোস্টার সবই। আছে শাড়ি ; টুপি থেকে ওড়না। কাপ বা মগে দলের প্রতীক আঁকা। তাও মিলবে এখানে।আছে গেঞ্জি; দড়ি; রিবন ;ব্যাজ ;উত্তরীয়;লোগো কিংবা ছাতা  নানা ধরণের কার্ড বা প্রচারপত্র সবই মিলবে এখানে।বর্ধমান শহরের বি সি রোডে বর্ধমান সিনেমার কাছে এই সব পেয়েছির দোকানের ঠিকানা।দোকানের মালিক অর্পিতা চৌধুরী জানান; ' এই দোকান আমার বাবা তৈরি করেছিলেন।  ২০১৮ সালে তার মৃত্যুর পর থেকে আমিই এই দোকান চালু রেখেছি।' কিন্তু কোন কোন দলের জিনিস মেলে এখানে? অর্পিতা জানান; টি এম সি র প্রায় সবই থাকে। আর রক্তে কংগ্রেস রয়েছে। তাই তাদেরও কিছু জিনিস থাকে।এখন বিজেপির সব সামগ্রীও রাখছেন।সব দলের লোকেরাই এখানে আসেন। এখানে ভাতাড় ব্লকের বামুনাড়া থেকে শাসকদলের হয়ে গেঞ্জি ; টুপি এসব কিনতে এসেছেন মহম্মদ ইকা। তার কথায়; ' এখানে এক জায়গায় সব পাওয়া যায়। তাই প্রচারের প্রয়োজনে  এখানেই আসি।' ভোটের মরশুমে যুদ্ধং দেহী মনোভাব। কেউ কাউকে একচুল জায়গা ছাড়তে রাজি নয়। তবু এই দোকানেই মিলে যায় যুযুধান সব পক্ষই।ভোটের মহিমা এমনই।


Post a Comment

0 Comments