Subscribe Us

বড়শুল পুরাতন বাসস্ট্যাণ্ডে জেঠুর চায়ের দোকানে কড়া ফরমান



ভোটের উত্তেজনা অনেকটাই টের পাওয়া যায় চায়ের ঠেকে। চায়ের দোকানের তর্কে তুফানে বোঝা যায় নির্বাচনের গতি প্রকৃতি। তাই রাজনৈতিক দলগুলিও চায়ের দোকানকে প্রচারের অন্যতম কেন্দ্র গড়ে তোলে। বিজেপি ভোটের আগে থেকেই ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচী নিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন চায়ের দোকানে আড্ডা জমাচ্ছেন হেভিওয়েট নেতারা। শাসক কিংবা বিরোধী দল প্রচারে বিভিন্ন সময় চায়ের দোকানে গিয়ে জনসংযোগ করে।এসব অবশ্য নতুন নয়। এহেন চায়ের দোকানেই রাজনৈতিক  চর্চা বন্ধের নোটিশ। ভোট না মেটা পর্যন্ত চায়ের দোকানে বসে কোন রকম রাজনৈতিক আলোচনা না করার অনুরোধ পূর্ববর্ধমানের বড়শুল পুরাতন বাসস্ট্যাণ্ডে  জেঠুর চায়ের দোকানে।
বড়শুল পুরাতন বাসস্ট্যাণ্ডে জেঠুর চায়ের দোকান। ষাট উর্দ্ধ স্বামী স্ত্রী দুর্জয় মণ্ডল ও ভারতী মণ্ডল দোকান চালান। ঘরে  রয়েছে প্রতিবন্ধী ছেলে । এলাকার মানুষ ও ব্লক চত্ত্বরের অফিস কর্মীরাই এই চায়ের দোকানের খদ্দের। সকাল সন্ধ্যায় এলাকার বিভিন্ন মতাদর্শে মানুষ গরম চায়ে চুমুক দিতে ভীড় জমায়। চলে ভোট নিয়ে আলোচনা। সেই তর্ক কখনও উত্তপ্ত হয়ে উঠে।বন্ধু বান্ধবরাই তখন হয়ে যান প্রতিপক্ষ। এই ঘটনায় যেমন দোকানের পরিবেশ নষ্ট হয়, ঠিক তেমনই শান্তিও বিগ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই জেঠুর কড়া ফরমান- "ভোটের ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এই চায়ের দোকানে শুধুমাত্র রাজনীতি বিষয়ক কোনো আলোচনা করা যাবে না"। জেঠুর চায়ের দোকান প্রবেশ করলেই দেখা যাচ্ছে দেওয়ালে সাঁটা পোষ্টার।দোকানের মালিক  ভারতী মণ্ডল বলেন, আমি ও স্বামী ভোর থেকে দোকান চালাই। বাড়িতে প্রতিবন্ধী ছেলে, গরিবের সংসারে এই দোকানই সম্বল।  আমি চাই না রাজনৈতিক আলোচনা থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হোক। যার ফলে আমাদের ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

Post a Comment

0 Comments