ওষুধ না পেয়ে এবং শোকের কারণেই মৃত্যু ধৃতের বাবার,অভিযোগ পরিবারের

Subscribe Us

ওষুধ না পেয়ে এবং শোকের কারণেই মৃত্যু ধৃতের বাবার,অভিযোগ পরিবারের

গত পরশু থেকে উত্তপ্ত ছিল বর্ধমান শহরের লক্ষীপুর মাঠ, কাটাপুকুর এলাকা।তৃণমূল আর বিজেপি দু পক্ষের সশস্ত্র সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে। আহত হন দু পক্ষের বেশ কয়েকজন। ঘটে বাড়ি, ক্লাব, দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও। পুলিশ এই ঘটনার জেরে ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাদেরই একজন শঙ্কর সাউ।তার অসুস্থ বাবা রামচন্দ্র সাউ মারা গেছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ অকারণে তাকে ধরা হয়েছে। ওষুধ না পেয়ে এবং শোকের কারণেই ধৃতের বাবা রামচন্দ্র মারা গেছেন। তাদের দাবি শেষকৃত্য করার জন্য অবিলম্বে শঙ্করকে ছেড়ে দিতে হবে। এই নিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকার পুরুষ মহিলা ও প্রতিবেশীরা।
এলাকার বাসিন্দা অজয় কুমার পাসোয়ানের দাবি; 'যে কোনো ঘটনায় জড়িতে নয় তাকেই পুলিশ তুলে নিল। আর মুল আসামী ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোনো ফুটেজে শঙ্করের ছবি নেই।তবু বাবার ওষুধ কিনতে যাবার সময় ওকে তোলা হল।'আর এক প্রতিবেশী বচ্চন সাউ এর দাবি; ' পুলিশ অবিলম্বে শঙ্করকে ছাড়ুক।নইলে আমরা বড় আন্দোলনে যাবো'রেখা হরিজনের দাবি; ' টেনশনে আর ওষুধ না পেয়েই শঙ্করের বাবা মারা গেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের যারা মানুষকে ঘরে ঢুকে মারলো তাদের কিছু হল না। একটা নির্দোষ ছেলে গ্রেপ্তার হল। এর বিহিত না হলে আমরা রাস্তায় বসে যাবো।'মৃতার পরিবারের সুনীতা সাউ বলেন ; ' খোকন দাসের ইশারায় বোধহয় একজন নিরীহ মানুষকে আটক করা হল। যার বাবা অসুস্থ সে কী করে ঝামেলায় থাকবে।আমরা অসুস্থ বাবার ছবি পাঠালাম। তাও প্রশাসন মানলো না।এখন বাবার শেষ কাজ কি করে হবে? 'এখনো গত পরশুর খন্ডযুদ্ধের আতঙ্ক কাটেনি এলাকায়। তার মাঝে এই মৃত্যু নতুন প্রশ্নের জন্ম দিলো।

Post a comment

0 Comments