হাওড়ার সাঁকরাইললে পুলিশের জালে ধরা পরে এম এ পাশ চোর, বাবার দাবি ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে

Subscribe Us

হাওড়ার সাঁকরাইললে পুলিশের জালে ধরা পরে এম এ পাশ চোর, বাবার দাবি ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে

নীলেশ দাস, আসানসোল:- পুলিশের জালে এম এ পাশ চোর, আসানসোলের বাসিন্দা সমাল্যা চৌধুরী। লোকাল ছেলেদের খপ্পড়ে পড়ে এই ধরনের কাজ করতে শুরু করে। তবে একটি চুরির কিনারা করতে গিয়ে।  হাওড়ার সাঁকরাইল থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে মূল পান্ডা সৌমাল্য চৌধুরীকে। 

প্রসঙ্গত,পড়াশোনা জানা ছেলে। পড়াশোনা বলতে ইংরেজিতে এমএ। কিন্তু সেই ছেলে কোনও ভদ্রস্থ কাজ বেছে নেওয়ার পথে হাঁটেনি। ছেলের এই স্বভাবের কারণে মা আত্মহত্যা করলেও চুরির নেশা ছাড়তে পারেনি। সে চুরিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। 

আর তা করতে গিয়ে ফের পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। হাওড়া পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। একটি চুরির কিনারা করতে গিয়ে।  হাওড়ার সাঁকরাইল থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে আসানসোলের বাসিন্দা মূল পান্ডা সৌমাল্য চৌধুরী সহ মোট তিনজনকে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় দশ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গহনা। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌমাল্য চৌধুরী ইংরেজিতে এম এ পাস। ২০১৫ তে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেছিল সে।  কিন্তু চুরি করাই তার নেশা।এটাকে পেশা হিসেবেই বেছে নেয় সে। বাড়ি ছেড়ে চুরির চক্র গড়ে তোলে সে। আসানসোল হাওড়া হুগলী জেলায় কমপক্ষে কুড়িটি চুরির ঘটনার সাথে যুক্ত। তার বাবা প্রাক্তন সরকারি অফিসার। মা ছিলেন শিক্ষিকা। ছেলের কুকীর্তির কথা জানতে পেরে তিনি আত্মহত্যা করে। 

এতেও শোধরায়নি সৌমাল্য। চুরি করাকেই পেশা হিসেবে বেছে  নেয়। অন্যদিকে সৌমাল্য চৌধুরীর বাবা সলিল চৌধুরী বলেন,সমস্ত কথাবার্তা তার মায়ের সাথেই হতো। ব্যাংকের টাকা পয়সা আদানপ্রদান সৌমাল্য করত।ইদানিং কিছু লোকাল ছেলেদের খপ্পড়ে পড়ে এই ধরনের কাজ করতে শুরু করে। সেই ছেলেরা ভুল পথে চালিত করে নিজেদের দলে টেনে নেই, পরে তাকে খুনের হুমকি দিয়ে সমস্ত ব্যাংকের টাকা বের করে নেই তারা। 

তবে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ছেলে সে, যেকোনো কাজ করে খেতে পারতো,তবে অসত পথে না থেকে।সমস্ত টাকা পয়সা মানসম্মান সবকিছুই জড়িয়ে দিয়েছে। প্রায় ১৯ লক্ষ টাকা তুলে নেই তারা।তবে সাফ জানিয়ে দিলো সৌমাল্যার বাবা সলিল চৌধুরী,আমার ছেলে নির্দোষ, আমার ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

Post a Comment

0 Comments

close