আসানসোলের সেফ হোমগুলির জন্যে সহযোগিতার হাত বাড়ালো সোসাইটি ফর ডেভেলাপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড আর্কিটেক্ট

Subscribe Us

আসানসোলের সেফ হোমগুলির জন্যে সহযোগিতার হাত বাড়ালো সোসাইটি ফর ডেভেলাপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড আর্কিটেক্ট

নীলেশ দাস আসানসোল:- করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল দেশ তথা গোটা রাজ্যও। আর ঠিক সেই সময় রাজ্যের অন্যান্য স্থানের মত আসানসোল শহরেও চালু হয়েছে করোনা আক্রান্তদের জন্য সেফ হোম। আর রবিবার আসানসোল শহরের সেফ হোমগুলির জন্যে সহযোগিতার হাত বাড়ালো সোসাইটি ফর ডেভেলাপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড আর্কিটেক্ট৷ 

এদিন এই সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের সাধারণ সম্পাদক সমর দাস বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে মানুষের সহযোগিয়ায় এগিয়ে এসেছে তাদের সংস্থা৷ এর আগেও তারা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন৷ তবে এদিন তারা আসানসোল শহরের সেফ হোমগুলির দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে চেয়েছেন৷ আর সেই  লক্ষ্যে নিয়ে এদিন তারা উপস্থিত হয় আসানসোলের সেন্ট জোসেফ স্কুলে তৈরি সেফ হোমে। 

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আইন ও পুর্ত দপ্তরের মন্ত্রী মলয় ঘটক এছাড়াও জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক অভিজিৎ শেভালে, প্রাক্তন পুরপিতা অনিমেষ দাস, স্থানীয় ব্যবসায়ী সহ আরো অনেকে। এদিনের এই অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে রাজ্যজুড়ে মানুষের সহায়তায় কাজ করে চলেছে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা। 

পাশাপাশি, তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সারা রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে আসানসোল শহরেও কয়েক দিন আগে দুটি সেফ হোম করা হয়। তার মধ্যে একটা হচ্ছে লরেটো কনভেন্ট আর একটা হচ্ছে সেন্ট জোসেফ স্কুল। যেখানে ৬০ টি করে মোট  ১২০ টা শয্যা করা হয় করোনা আক্রান্তদের জন্য। আগের দিনে আমরা সব রকমের পরিষেবা চালু করেছিলাম। আজ বিভিন্ন দপ্তরের রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশন এই সেফ হোমের জন্যে ৫টি অক্সিসিজেন সিলিন্ডার সহ রেগুলেটর। ৫০০ গ্লাবস,২০০০ মাস্ক,১০টি অক্সি মিটার এবং ২০০ পি পি ই কিট এই দুটো সেফ হোমের জন্যে তুলে দিলেন জেলা প্রশাসনের হাতে। আমরা তাদেরকে আমাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই। 

যে এই করোনা পরিস্থিতে তারা এগিয়ে এসেছেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে এবং মুখ্যমন্ত্রীর যে স্বপ্ন যাতে  যত শীঘ্র সম্ভব করোনা বিদায় হোক রাজ্য থেকে। পাশাপাশি এদিন তিনি ধন্যবাদ জানায় সেন্ট জোসেফ এবং লরেটো কনভেন্টের কতৃপক্ষকেও। কারণ তারা এই স্কুল দুটিকে ছেড়ে দিয়েছে সেফ হোমের জন্যে। পাশাপাশি তারা করোনার সময় সাহায্য করেছে জেলা প্রশাসনকেও।

Post a Comment

0 Comments

close