Subscribe Us

ভিটেমাটিহীন গ্রামবাসীরা এবারেও উৎসবমুখর হতে চলেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো কে কেন্দ্র করে

শুভময় পাত্র,বীরভূম:-ভিটেমাটিহীন গ্রামবাসীরা এবারেও উৎসবমুখর হতে চলেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো কে কেন্দ্র করে। বিগত বেশ কয়েকদিন আগে বীরভূমের যে গ্রাম অজয় নদের জলোচ্ছ্বাসে একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, এবার সেই গ্রামে ঘটা করে পালিত হবে দুর্গো উৎসব।

ঝাড়খণ্ডের বেশকিছু ড্যামের মাত্রাতিরিক্ত জল ছাড়ার ফলে বীরভূম ও বর্ধমানের নদী বাঁধ সংলগ্ন বেশকিছু গ্রাম একেবারেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। তাদের মধ্যে বীরভূম জেলার নানুর থানার অন্তর্গত সুন্দরপুর গ্রাম বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ।

দু - একটি টি পাকা বাড়ি ছাড়া গোটা গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় অজয় নদীর প্লাবনে। গৃহহীন সকল গ্রামবাসী ঠাঁই নিয়েছে নদী বাঁধের উপর। সরকার ও বর্তমান শাসক দলের কর্মী-সমর্থকরা ছাড়াও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নানান রকম সাহায্য ও ত্রাণ নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন বন্যাকবলিত গ্রামগুলিতে।বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বন্যা কবলিত এলাকা প্রথম দিনেই পরিদর্শন করে বলে গেছেন কোন রকম অসুবিধা হতে দেবে না গ্রামবাসীদের। 

সেই মর্মে বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল করিম খান কে নির্দেশ দেন কোন রকম অসুবিধা যেন এই গ্রামবাসীর না হয়। যেমন বলা তেমন কাজ, বন্যা কবলিত এলাকার গ্রামবাসীদের দিবা রাত্র সমস্ত রকম সুবিধা দিতে ব্যস্ত দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। 

শুধু তাই নয় আসন্ন দুর্গা পুজো উপলক্ষে গ্রামবাসীদের যাতে কোনরকম অসুবিধা না হয় তাদের ভেঙে যাওয়া দুর্গা মন্দির দেখে যাতে তাদের কোনো ক্ষোভের সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারেও পূর্ণ সহযোগিতা করে চলেছে বর্তমান শাসক দলের কর্মী-সমর্থকরা জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এর নির্দেশে।

নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দুর্গাপুজোর তত্ত্বাবধান করছেন বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ করিম খান মহাশয়। 

শুধু দুর্গাপুজো-ই নয়, এই উৎসবকে কেন্দ্র করে চার দিন চলবে বিভিন্ন রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ওই গ্রামে। 

গ্রামবাসীদের সকলের জন্য নতুন জামাকাপড় এর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনাব করিম সাহেব। 

ভিটেমাটি হীন গ্রামবাসী যেখানে তাদের কোন মাথা গোঁজার মতো বাড়ি নেই, প্রতিনিয়ত চলছে অনিশ্চয়তার টানাপোড়েন,এমত অবস্থায় দুর্গাপুজো কে কেন্দ্র করে যে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাতে রীতিমতন খুশি বন্যা কবলিত এলাকা সুন্দরপুর গ্রামের আপামর গ্রামবাসী।

Post a Comment

0 Comments